ক্লেইটন, পাসির গোলে মরসুমের প্রথম জয়ের স্বাদ পেল ইস্টবেঙ্গল। লাল হলুদের কোচ হিসেবে স্টিফেন কনস্ট্যান্টাইনের প্রথম জয় এটি।
Image Credit source: Twitter
কলকাতা: অগোছালো টিম নিয়ে প্রথম দুই ম্যাচে গোলশূন্য ড্র। এরপর ডার্বিতে আত্মঘাতী গোলে হারের লজ্জা। বিনা জয়ের মুখ দেখে ডুরান্ড কাপ থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল (Emami East Bengal)। শনিবার ছিল নিয়মরক্ষার ম্যাচ। সামনে শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসি। নিভে যাওয়ার আগে দপ করে জ্বলে ওঠার মতো আইএসএলের দলটিকে কড়া চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে মরসুমের প্রথম জয় তুলে নিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। শনিবার কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে লাল হলুদ জিতল ৪-৩ গোলে। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন কোচ স্টিফেন কনস্ট্যান্টাইন (Stephen Constantine)। ডার্বির ক্ষত ভুলে জিতেই ডুরান্ড কাপ থেকে বিদায় নিল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচে দুটো করে গোল করলেন সুমিত পাসি এবং ক্লেইটন সিলভা।
ইস্টবেঙ্গল ৪ (সুমিত পাসি ২, ক্লেইটন সিলভা ২) : মুম্বই সিটি এফসি (স্টুয়ার্ট, ছাংতে ২)
ম্যাচে জোড়া গোল করে যেন ডার্বির প্রায়শ্চিত্ত করলেন সুমিত পাসি। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। মুহুর্মুহু আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণে প্রথমার্ধে ঝড়ের গতিতে হল ছয়টি গোল। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ১৭ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন সুমিত পাসি। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মরসুমের প্রথম গোল এটি। ডার্বিতে হারের পর সমর্থকদের কাছে খলনায়ক হয়ে গিয়েছিলেন পাসি। আজকের ম্যাচ তারই যেন প্রায়শ্চিত্ত। কয়েক মিনিটের মধ্যে লাল হলুদের হয়ে দ্বিতীয় গোল দাগেন ক্লেইটন সিলভা। দমে যাওয়ার পাত্র ছিল না মুম্বইয়ের দলটির। দু গোল হজম করার পর ২৭ মিনিটে ব্যবধান কমান স্টুয়ার্ট। ৩৪ মিনিট নাগাদ প্রতিপক্ষের গোলকিপারের ভুলের সুযোগ নিয়ে ফের গোল করেন পাসি। মিনিট দুয়েক পর ব্যববধান ৩-২ করেন ছাংতে। ৪৩ মিনিটে ফের তাঁর পায়ে আসে গোল। ৩-৩ ব্যবধানে ঝোড়ো গতিতে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধেও চলে একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার লড়াই। লড়াই করেও ডুরান্ডের শেষ ম্যাচে পরাজয়কে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে নারাজ ছিলেন স্টিফেনের ছেলেরা। ৮১ মিনিটে ক্লেইটেনের গোলে এগিয়ে যায় লাল হলুদরা। মুম্বই এরপর বহু চেষ্টা করেও গোল শোধ করতে পারেনি।