পাক-বধ করে বাবাকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন সুখজিৎ, কারণ খোলসা করলেন…


হানঝাউ: সুখজিৎ সিং। ভারতীয় হকি টিমে এখন নিয়মিত সদস্য। এক দিন আগেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রেকর্ড জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ভারত। হকিতে প্রথম বার পাকিস্তানকে ১০ গোল মেরেছে টিম ইন্ডিয়া। সুখজিৎ স্কোরশিটে নাম লেখাতে না পারলেও অনবদ্য পারফর্ম করেন। দল জেতে ১০-২ ব্যবধানে। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে ১-৭ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। এ যেন তারই মধুর প্রতিশোধ। কয়েক সপ্তাহ আগেই ঘরের মাঠে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকি জিতেছে ভারত। টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে হারিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। এশিয়ান গেমসে ১০-২ ব্য়বধানে পাকিস্তানকে হারিয়ে আনন্দে ভাসছে টিম ইন্ডিয়া। সুখজিৎ যা বলছেন, বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।

পাকিস্তানকে লজ্জার হার উপহার দিয়ে ‘হকি তে চর্চা’ পডকাস্টে সুখজিৎ বলেন, ‘বাবার কাছে একটা বড় হকি স্টিক ছিল। আমার তখন চার কী পাঁচ বছর বয়স। বাবা সেই হকি স্টিক কেটে আমাকে দিয়েছিলেন। কাজ সেরে ফিরেই আমাকে মাঠে নিয়ে যেতেন। হকির শিক্ষা বা হাতে খড়ি বাবার কাছেই। আমার হকি কেরিয়ারে বাবার ভূমিকা অসীম।’ হাতে শুধু স্টিক তুলে দেওয়া কিংবা প্রাথমিক শিক্ষাই নয়। কঠিন পরিস্থিতি থেকে কী ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে, সেটাও বর্ণনা করলেন সুখজিৎ।

পিঠের চোটে কাঁবু ছিলেন সুখজিৎ। সেই সময়ের কথাই তুলে ধরলেন ভারতের হকি তারকা। বলছেন, ‘এমন পরিস্থিতি হয়েছিল, আমি আবার হাঁটতে পারব কিনা সেটাও অনিশ্চিত ছিল। বাবা সবসময় আমাকে প্রেরণা জুগিয়েছে, ভরসা দিয়েছে। যাতে দ্রুত সেরে উঠতে পারি, বাবা আমাকে মাসাজ দিত। আমার জন্য সব করেছে। অনিশ্চিত সময়ে আমার ঢাল হয়ে ছিল বাবা। ফের মাঠে নামার মতো ফিট করে তুলেছিল।’

ফরোয়ার্ড সুখজিৎ জাতীয় দলের হয়ে এখনও অবধি ৪৩ ম্যাচ খেলেছেন। রয়েছে ১৩টি গোল। তাঁর বাবা অজিত সিং নিজেও হকি প্লেয়ার ছিলেন। হলপ করে বলা যায়, এর চেয়ে ভালো কোচ, মেন্টর পেতে পারতেন না সুখজিৎ।

Leave a Reply